Gallery Images (4)
🕉️ যোগদ্যা দেবী শ্রী শ্রী জয়কালী মাতা ঠাকুরাণীর মন্দির কবে কখন প্রতিষ্ঠিত হয় তার সঠিক কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই। ১৭৯৩ সনে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত বা স্থায়ী ভূমি ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে জমিদারদের নিজ নিজ জমির ওপর স্থায়ী মালিকানা দান করলে জমিদার বিপিন চন্দ্র দাস চৌধুরী গং শ্রী শ্রী জয়কালী মাতা ঠাকুরানীর নামে ৪.০৭ একর ভূমি দান করেন। কালান্তরে উক্ত ভূমির অধিকাংশই বেহাত হয়ে যায়। বর্তমানে ১৬১ শতাংশ ভূমি বর্তমান রিভিশন জরিপ সূত্রে ও ৩১.৫০ শতাংশ জমি ক্রয় সূত্রে জয়কালীমাতা ঠাকুরানীর নামে রয়েছে। এরমধ্যে পুকুর ৫৪ শতাংশ বাড়ি ৫০ শতাংশ পুকুর পাড় ২৮ শতাংশ, নাল ৬০.৫০ শতাংশ মোট ১৯২.৫০ শতাংশ স্থাবর সম্পত্তি।
যোগিদিয়া পরগনা ইতিহাস খ্যাত হিন্দু ভদ্রলোকদের বাসস্থান ছিল। কিন্তু কালক্রমে দেশভাগ সহ নানান কারণে সারাদেশের মতো এখানেও হিন্দুদের সংখ্যা দ্রুত কমতে থাকে। তারপরও অত্র প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে আমাদের পুরো বিরাহিম পুর গ্রামে- ২৬৯ পরিবার, সরকার দিঘি ৮০ পরিবার, হাবীবপুর-২৮ পরিবার, শাহাজাদপুর- ২৬ পরিবার, বিজয়পুর- ৭০ পরিবার রামদী- ১৮ পরিবার,, করালিয়া-২৭ পরিবার, পশ্চিম সিরাজপুর-৪৬ পরিবার, মোগরাপাড়া-৪৫ পরিবার, নলদিয়া- ১১২ পরিবার, দাসপাড়া-৪০ পরিবার, মহাজন বাড়ি-৩০ পরিবার ও বসুরহাট পৌরসভাস্থ বাসা বাড়ির সনাতন ধর্মাবলম্বি পরিবার অত্র প্রতি
শ্যামা পূজা কবে কখন থেকে হয়ে আসছে তার সঠিক তথ্য আমাদের কাছে নেই। তবে ধারণা করা যায় মাতা ঠাকুরাণীর প্রতিষ্ঠার লগ্ন থেকে উক্ত পূজার আয়োজন হয়ে আসছে। গত শতাব্দীর আশি দশকের শেষ দিকে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় পূজো দুর্গা পুজো অত্র প্রতিষ্ঠানে প্রথম অনুষ্ঠিত হয়।সে থেকে প্রতিবছর দুর্গা পূজোর আয়োজন করা হয়। কবে কখন জ্বালা মুখি কালী পূজো সূচিত হয় জানা নেই। প্রতিবছর চৈত্র-বৈশাখ মাসের শনি ও মঙ্গলবারে শত শত ব্রতীর আগমনে এ পূজোর আয়োজন করা হয়। পহেলা বৈশাখে জমজমাট মেলা হতো কিন্তু কালক্রমে তা হারাতে বসেছে। যুব সংঘের মাধ্যমে সরস্বতী পূজো, সাপ্তাহিক হরি সভার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
নারী সংঘ কর্তৃক শ্রীমদ্ভাগবত পাঠের আয়োজন করা হয়ে থাকে। এখানে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব তিথিতে পূজোর আয়োজন করা হয়। এছাড়াও মানসী ও নিত্য পূজা নিয়মিত হয়ে আসছে।
অত্র প্রতিষ্ঠানে যোগিদিয়া শ্রী শ্রী জয়কালী বাড়ির সাবেক সভাপতি শ্রী পূর্ণেন্দু শেখর পাল কর্তৃক বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা কেন্দ্রের শাখা প্রতিষ্ঠিত করা হয়। প্রতি শুক্রবার শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এখানে বাংলাদেশ ধর্ম মন্ত্রণালয় কর্তৃক পরিচালিত প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা কেন্দ্রের কার্যক্রম ২০১৮ সন থেকে অদ্যাবধি অব্যাহত রয়েছে। ইতিমধ্যে যুব সংঘ কর্তৃক সঙ্গীত শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। সর্বোপরী অত্র প্রতিষ্ঠান একটি আনন্দময় পরিবেশের মধ্যে বিরাজমান রয়েছে।
যাতায়াত নির্দেশনা – জয় কালীবাড়ি
🚌 ঢাকা থেকে:
ঢাকার টিটিপাড়া বা সায়েদাবাদ থেকে ঢাকা–বসুরহাটগামী বাসে বসুরহাট বাজারে নামুন। সেখান থেকে রিকশা বা সিএনজিযোগে প্রায় ১ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত জয় কালীবাড়ি।
🚌 ফেনী থেকে:
ফেনী থেকে বাসযোগে বসুরহাট বাজারে এসে রিকশা বা সিএনজিযোগে প্রায় ১ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে গেলে জয় কালীবাড়ি পৌঁছে যাবেন।
🛺 অন্যান্য স্থান থেকে:
দেশের যে কোনো স্থান থেকে প্রথমে বসুরহাট বাজারে আসুন। এরপর রিকশা বা সিএনজিযোগে প্রায় ১ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে গেলেই জয় কালীবাড়ি।
📍 অবস্থান: বসুরহাট বাজার থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে,
আপনার যদি এই মন্দিরের নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা কমিটির মোবাইল নম্বর অথবা অতিরিক্ত তথ্যের প্রয়োজন হয়, তবে সরাসরি আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে নক দিন। Temple ID: #927427
Chat Now